" " " "

আসল ডাভ সাবান চেনার উপায় – ডাভ সাবান এর উপকারিতা

আপনি কি ডাভ সমান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান? আজকের এই পোস্ট পড়লে আপনি আসল ডাভ সাবান চেনার উপায় এবং ডাভ সাবানের উপকারিতা সহ এই ডাভ সাবান মুখে দিলে কি হয় সেগুলো জানতে পারবেন।

আমাদের দেশের অনেক সাবান কোম্পানির মধ্যে ডাভ অন্যতম । কিন্তু এই ভালো ভালো সাবান গুলোর অনেক নকল সাবান ইদানিং বের হয়েছে। যার কারণে ক্রেতাগণ অনেক সমস্যায় পড়তেছে।

যদি আপনি বাজারে গিয়ে আসল ডাভ সাবান চেনার উপায় না জেনে নকল ডাভ সাবান নিয়ে আসেন তাহলে কিন্তু সেই সাবান দিয়ে আপনার খুব বেশি একটা উপকার হবে না। 

এই কারণে অবশ্যই আপনাকে আসল ডাভ সাবান চেনার উপায় ভালোমতো জানতে হবে এবং এরপর থেকে মার্কেটে গেলে এই উপায় গুলো ব্যবহার করে সুন্দর ভাবে আসল ডাভ সাবান টি কিনে নিয়ে আসতে হবে।

আসল ডাভ সাবান চেনার উপায়

যে জিনিসটা বা যে প্রোডাক্ট বর্তমানে মার্কেটে ভালো চলে এবং মানুষ ভালো উপকার পাচ্ছে । সেই প্রডাক্ট কে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী বা ফ্যাক্টরির মালিক সেটাকে নকল করছে।

তো এই জন্য আমরা অনেক সময় বাজারে গিয়ে ভালো ভালো প্রোডাক্ট গুলোকে রেখে নকল প্রডাক্ট নিয়ে আসি। কিন্তু যদি আমরা একটু সচেতন হই এবং এগুলো চেনার উপায় সম্পর্কে জেনে নেই তাহলে কিন্তু পরবর্তীতে আর ঠকে যাব না।

তো এই ডাভ সাবান যেহেতু মার্কেটে অনেক জনপ্রিয় তাই অসংখ্য নকল ফ্যাক্টরি গন এই সাবানটিকে বের করেছে যেটা ব্যবহার করলে আপনার ক্ষতি হতে পারে। তো চলুন এখন আমরা আসল ডাভ সাবান চেনার উপায় সম্পর্কে জেনে আসি

রং দেখে: যদিও রং দেখে সঠিক সাবানকে চেনা অনেক কঠিন। তারপরও যদি আপনারা খুব সূক্ষ্মভাবে লক্ষ্য করেন তাহলে হয়তো আসল ডাভ সাবানকে চিনতে পারবেন।

ডাভ কম্পানি যে সকল আসল ডাভ সাবান মার্কেটে নিয়ে আসে সেগুলোর রং কিছুটা হলুদ বা সাদা হয়ে থাকে। তো এই কারণে যদি আপনারা সাবানটিকে কেনার সময় ভালোভাবে লক্ষ্য করেন যে এর রং সাদা হলুদ নাকি অন্য কিছু তাহলে খুব সহজে আসল ডাভ সাবানটি চিনতে পারবেন।

সাবানের প্রকৃতি: যে সকল বিষয়বস্তু আসল সেগুলো দেখলে অনেকটা আলাদা মনে হয় এবং আকর্ষণীয় লাগে । যদিও নকল কোম্পানিগুলো এগুলোকে ভালো ভালো বানাচ্ছে তারপরও আমরা একটু সচেতন হলেই আসলটাকে ধরে ফেলতে পারব।

তো ডাভ কোম্পানি থেকে সাবান গুলোকে লঞ্চ করা হলে সেগুলো অনেকটা মসৃণ এবং কিছুটা নরম থাকে। আমরা হাত দিলেই বুঝতে পারবো যে এই সাবানটি নরম রয়েছে এবং সুন্দর ও মসৃণ রয়েছে।

এছাড়াও এই আসল সাবানগুলোতে কোন ধরনের দাগ বা স্ক্র্যাচ থাকেনা। তো সাবান কেনার সময় যদি দেখেন যে সাবানের গায়ের মধ্যে দাগ এবং অসংখ্য স্ক্র্যাচ রয়েছে তাহলে সেটা নিবেন না।

প্যাকেজিং দেখে: একটি প্রোডাক্ট এর আসল নকল চেনার অন্যতম উপায় হলো এর প্যাকেজিং কে খুব ভালোভাবে লক্ষ্য করা। যদি আপনি প্যাকেজিং কিনতে এক্সপার্ট হয়ে যান তাহলে আপনার কাছে কেউ আর নকল জিনিস বিক্রয় করতে পারবে না ।

প্রতিটা কোম্পানি, তাদের প্যাকেজিং এর ওপর অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এই কারণে তারা প্যাকেজিং এর ক্ষেত্রে কোন কার্পণ্য করে না সুন্দরভাবে এবং আকর্ষণীয় ভাবে প্যাকেজিং গুলো করা হয়।

আর যে সকল নকল কোম্পানি রয়েছে তারা প্যাকেজিং এর ওপর ততটা গুরুত্ব দেয় না কোন ভাবে নরমাল প্যাকেজিং করেই বাজারজাত করা হয়। তো বন্ধুরা ডাভ সাবান কিনতে গেলে আপনি ভালোমতো লক্ষ্য করবেন যে এটি সুন্দর এবং আকর্ষণীয় নাকি অনেক বেশি খারাপ দেখা যাচ্ছে ।

যদি দেখেন যে সাবানের প্যাকেটটি অনেক সুন্দর ভাবে প্যাকেজিং করা হয়েছে এবং এর ডিজাইনও অনেক সুন্দর তাহলে বুঝবেন যে এটি আসল সাবান।

গায়ের ইনফো দেখে: কোন প্রোডাক্ট এর প্যাকেট খুলে তারপর সেটিকে যাচাই করার মত উপায় আমাদের থাকে না। এইজন্য আমাদেরকে এর গায়ের ইনফো গুলো দেখে আসল ডাভ সাবান চেনার উপায় জানতে হবে ।

প্যাকেটের মধ্যে যে ইনফরমেশন গুলো রেখে দেওয়া হয় এগুলো দেখেও অনেক সময় আসল নকল বিবেচনা করা যেতে পারে।

যে সকল নকল প্রোডাক্ট মার্কেটে ছেড়ে দেওয়া হয় সেগুলোর প্যাকেটে খুব বেশি ইনফরমেশন থাকে না বা থাকলেও সেখানে উল্টাপাল্টা ইনফরমেশন থাকে।

তো যখন সাবান কিনবেন তখন আপনি অবশ্যই প্যাকেটের গায়ে ভালোভাবে চেক করবেন যে সেখানে সকল ইনফো ঠিকভাবে দেওয়া আছে কিনা।

সেখানে সর্বপ্রথম কোম্পানির লোগো দেখবেন যে সেটা ভালোভাবে বসানো আছে কিনা বা লোগোতে কোন সমস্যা আছে কিনা। এরপর অবশ্যই বি এস টি আই এর সিল দেখে নেবেন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এখানে প্রোডাক্ট এর উৎপাদনের তারিখ এবং মেথ এক্সপায়ার হওয়ার তারিখটাও ভালো মত দেখতে হবে। তো আপনারা এই গুলো চেক করলে আশা করি আসল নকল বিষয়টি ভালোমতোই বুঝতে পারবেন।

সাবানের দাম: যদিও বাঙালি হিসেবে আমরা অনেক নিচু জাতি। এর কারণ আমরা কম দামের কোন জিনিস দেখলেই সেখানে দৌড়ায়।

আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই অসাধু ব্যবসায়ীরা অনেক বেশি লাভবান হয়ে যাচ্ছে। তারা বেশি দামের প্রোডাক্টগুলোকে নকল করে মার্কেটে ছেড়ে দিয়ে অনেক কম দামে দিচ্ছে।

যদি কোন প্রোডাক্ট ভালো হয় তাহলে তার দাম অবশ্যই বেশি হবে। কিন্তু যখন আমরা খারাপ প্রোডাক্ট ব্যবহার করব কম দামে তখন সেটা আমাদের ত্বকের জন্যও অনেক ক্ষতি হবে।

একটু সচেতন হলেই শুধুমাত্র দাম বিবেচনা করেই আমরা এই প্রোডাক্টের আসল নকল বিষয়গুলো ধরে ফেলতে পারব।

মনে রাখবেন আসল ডাভ সাবানের দাম একটু বেশি হবে আর নকল যেগুলো আছে সেগুলোর দাম অনেক কম হয়ে থাকে। তো আসল ডাভ সাবানের অরিজিনাল দাম জানার জন্য অবশ্যই তাদের ওয়েবসাইট আছে সেখানে ভিজিট করে আপনি দেখে নিবেন।

যদি দেখেন যে ওয়েবসাইটে দেওয়া দাম এর থেকে প্যাকেটের গায়ে অনেক বেশি কম দাম লেখা আছে তাহলে নিশ্চিত হয়ে নিবেন যে এটি আসল সাবান নয়।

এছাড়া অনেক সময় দেখা যায় নকল সাবান গুলির প্যাকেটে বেশি দাম লেখা থাকলেও দোকানদারেরা অনেক কম দামে বিক্রি করে এই বিষয়টিকেও আপনাকে খেয়াল করতে হবে।

সুবাস বা গন্ধ সুকে: সাবানের গন্ধটাই আসল। এত সুগন্ধ থাকার ফলেই আমরা সাবান ব্যবহার করতে পছন্দ করি বা সাবান ব্যবহার করি।

আর যে সকল আসল সাবান বাজারে পাওয়া যায় সেগুলোর গন্ধ অনেক বেশি সুন্দর ও মনোরম হয়ে থাকে। এর কারণ হচ্ছে কোম্পানিগুলো খুব যত্ন সহকারে এবং ভালো ভালো প্রোডাক্ট দিয়েই সাবান গুলো বানায়।

কিন্তু যখন কোন নকল অসাধু কোম্পানি এইগুলোকে বানানোর চেষ্টা করে তখন তারা খুব উন্নত মানের প্রোডাক্ট ব্যবহার করে না ,এই জন্য আসল সাবানের মত সুগন্ধ বানাতে পারে না

সুতরাং যখন সাবান কিনবেন অবশ্যই সাবানের সুগন্ধ টা চেক করে নিবেন যে আসল সাবানের মত নাকি সুগন্ধ টা অনেক খারাপ শোনাচ্ছে।

এটা ছাড়া আর একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে আসল ডাভ সাবানের সুগন্ধটা অনেক দীর্ঘস্থায়ী হয় অর্থাৎ সাথে সাথে এর সুগন্ধ চলে যায় না। আর নকল গুলোর সুগন্ধ খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

উপরে আমি যে কয়টি পয়েন্ট আলোচনা করলাম এগুলোই মূলত আসল ডাভ সাবান চেনার উপায় এর মধ্যে পড়ে। এগুলো ভালো মতো আয়ত্ত করতে পারলে আপনি অবশ্যই বাজারে গেলে আসল ডাভ সাবান এবং নকল ডাভ সাবান চিনে নিতে পারবেন।

একটু বেশি দাম হলেও আমাদের উচিত আসল প্রোডাক্ট গুলো ব্যবহার করা উচিত। না হলে যদি নকল প্রোডাক্ট ব্যবহার করা হয় তাহলে এটা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি হবে।

ডাভ সাবান এর উপকারিতা

মনে রাখবেন মানুষ ডাভ সাবান থেকে ভালো উপকৃত হয় জন্যই এই সাবান আজ এত বেশি জনপ্রিয়। অনেকেই আছে যারা ডাভ সাবান এর উপকারিতা সম্পর্কে কিছু জানেনা।

তাদের জন্য নিচে ডাভ সাবানের উপকারিতা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আকার আলোচনা করা হলো:

ত্বকের তেলভাব

যে সব মানুষের ত্বকের তেল তেল ভাব একটু বেশি তাদের ত্বকের একটু বেশি সমস্যা দেখা দেয়। দেখবেন তাদের ত্বকে ব্রণ কিংবা বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ উঠে থাকে।

এগুলো থেকে বাঁচতে আমাদের ওই ত্বকে অবশ্যই তেল তেল ভাব দূর করে ভালো করতে হবে। এর জন্যই ডাভ সাবান অনেক বেশি কার্যকরী একটি উপাদান।

যদি আপনারা আসল ডাভ সাবান নিয়ে এসে সেটি নিয়মিত ব্যবহার করেন । তাহলে আপনাদের এই ত্বকের মধ্যে থাকা তেল ভাবটা দূর হয়ে ত্বক নরমাল হয়ে যাবে।

ত্বক কে ক্লিয়ার রাখে

ডাভ সাবানের মধ্যে এমন কিছু ক্যামিকেল দেওয়া হয় যেগুলো মানুষের ত্বকের জন্য ক্ষতিকর নয় কিন্তু ত্বকের অনেক উপকার করে থাকে।

এই ডাভ সাবান বানানোর সময় এখানে আলফা এবং বিটা হাইড্রোক্সাইড নামক উপাদান গুলো ব্যবহার করা হয়। আর এই উপাদানগুলো আমাদের ত্বকে লাগলে ত্বকের মধ্যে যত ময়লা আছে সেগুলো পরিষ্কার হয়ে যায়।

এছাড়াও উপাদানগুলো তাকে বেশি পরিমাণে লাগানো হলে ত্বকের উপরে থাকা মৃত কোষগুলো আসতে আসতে ধ্বংস হয়ে যায়।

আর এই মৃত কোষ গুলো ধ্বংস হয়ে গেলে আমাদের ত্বক আরও অনেক বেশি উজ্জ্বল হয় এবং পরিষ্কার হয়ে যায়। তবে হ্যাঁ একবারে অনেক বেশি পরিমাণে ডাভ সাবান লাগানো যাবেনা , না হলে ত্বকের অনেক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

এলার্জির সমস্যা সমাধান

যাদের ত্বকে প্রচুর পরিমাণে এলার্জি আছে তাদের সবান নিয়মিত ব্যবহার করা। কারণ এই ডাভ সাবানের মধ্যে এমন কিছু এন্টি অ্যালার্জিক উপাদান আছে যেগুলো শরীরের মধ্যে থাকা এলার্জিকে ভাসতে বাধা দেয়। এছাড়াও ত্বকের মধ্যে অন্যান্য যে সমস্যা রয়েছে সেগুলোকেও এটি সমাধান করতে পারে বলে জানা যায়।

ত্বকের পুষ্টিগুণ ঠিক রাখে

আমাদের ত্বককে স্বাস্থ্য সবল এবং ঠিক রাখার জন্য ভিটামিন ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। এছাড়াও প্রতিনিয়ত ত্বকের প্রয়োজন পড়ে অনেক বেশি পরিমাণে পুষ্টি।

তো যদি আমরা ভালো প্রকৃতির সাবান ব্যবহার না করি তাহলে ত্বক আসতে আসতে ড্যামেজ হয়ে যাবে। কিন্তু ডাভ সাবানে রয়েছে ভিটামিন ই এছাড়াও অনেক ভালো ভালো উপাদান যেগুলো ত্বকের পুষ্টিগুণ এবং ত্বকের যে সমস্ত ভিটামিন প্রয়োজন সেগুলো । এই কারণে নিয়মিত সাবান টি ব্যবহার করলে আমাদের ত্বকের পুষ্টিগুণ ঠিক থাকবে এবং ত্বককে উজ্জ্বল ও রাখতে সাহায্য করবে।

উপরের এই কয়টি পয়েন্ট ছাড়াও আরো বেশ কিছু ডাভ সাবানের উপকারিতা আছে। কিন্তু বন্ধুরা মানুষ যখন এই সাবানটি ব্যবহার করবে তখনই সে সাবানের উপকারিতা ভালোভাবে বুঝতে পারবে।

এ কারণে আপনার উচিত অবশ্যই একবার সাবানটি ব্যবহার করে দেখা । একবার ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন যে এটা থেকে আপনার ক্ষতি হচ্ছে নাকি উপকার। যদি উপকার পেয়ে থাকেন তাহলে চেষ্টা করবেন নিয়মিত এটি বিহার করতে।

ডাভ সাবান মুখে দিলে কি হয়

অনেকেই প্রশ্ন করে থাকে যে ডাভ সাবান মুখে দিলে কি হয়? যদিও এটা একদম স্পেসিফিক ভাবে বলা সম্ভব নয়।

তারপরেও আমরা আপনার জন্য বেশকিছু উত্তর নিচে প্রদান করলাম।

✓ যদি নিয়মিত ডাভ সাবান মুখে দেন তাহলে আপনার মুখের আদ্রতা ঠিক থাকবে এছাড়াও মুখে যদি বেশি তেল থাকে তাহলে সেটাও আস্তে আস্তে দূর হয়ে যাবে।

✓ মুখের মধ্যে অনেক বেশি ময়লা জমে থাকলে এবং ত্বকের ওপরে বেশি মৃত কোষ থাকলে ডাভ সাবান ব্যবহারের ফলে সেই কোষ গুলো ধ্বংস হয়ে যাবে। আর মুখ উজ্জ্বল দেখাবে।

✓ মুখের ত্বক ঠিক রাখতে যাকিছু দরকার সেগুল এর মধ্যে আছে তাই আপনার ত্বক অনেক উজ্জ্বল থাকবে এবং চক সবে থাকবে।

আশা করি ডাভ সাবান মুখে দিলে কি হয় সেটা আপনারা বুঝতে পেরেছেন। তবে হ্যাঁ বিভিন্ন মানুষের মুখের ত্বক বিভিন্ন ধরনের হয়।

আর এই মুখের ত্বক টি অনেক বেশি সেনসিটিভ এবং নরম হয়ে থাকে। তাই খারাপ কোন কোম্পানির বা নকল সাবান ব্যবহার না করে অবশ্যই ভালো দেখে সাবান ব্যবহার করবেন।

আর যে সাবানটি ব্যবহার করে আপনি দীর্ঘদিন ভালো ফলাফল পেয়েছেন সেই সাবানটিকে নিয়মিত মুখে লাগানোর চেষ্টা করবেন।

পরিশেষে

আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে আমরা ডাভ সাবান সম্পর্কিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু টপিক আলোচনা করেছি। আপনাদের অবশ্যই উচিত যে এই আসল ডাভ সাবান চেনার উপায় পোস্টটির পুরোপুরি পড়া।

কারণ যদি আপনারা নকল প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন তাহলে তবে অনেক ক্ষতি হতে পারে। তখন কিছু টাকা বাঁচাতে গিয়ে আরো অনেক বেশি টাকা লস হয়ে যাবে ত্বকের চিকিৎসা করাতে।

ডাভ সাবান সম্পর্কিত আলোচিত বিষয় গুলো সম্পর্কে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে সেটা কমেন্টে জানাবেন। আর হ্যাঁ চাইলে ডাভ সাবান ব্যবহারকারী বন্ধুকে আমাদের আজকের পোস্টটি সম্পর্কে জানতে পারেন।

ভালো লাগতে পারে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button