কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না জেনে নিন বিস্তারিত

যে সকল ইমামের পিছনে নামাজ হবেনা সেগুলো সুন্দর ভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে

প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার পাশাপাশি এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে নামাজগুলো সঠিক হলো কিনা। এজন্য উদাহরণ ডটকম এর আজকের পোস্টে কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না সেটা সম্পর্কে বিস্তারিত পয়েন্ট আকারে আলোচনা করা হবে।

প্রত্যেকটা পুরুষের জন্য অবশ্যই মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে ইমামের পিছনে নামাজ আদায় করা ফরজ। যদি কোন পুরুষ ইচ্ছাকৃত বাড়িতে ফরজ নামাজ আদায় করে তাহলে আল্লাহ এবং আল্লাহর নবী কেউই এটা পছন্দ করে না।

কিন্তু মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে মসজিদের মধ্যে যে ইমামের পিছনে নামাজ পড়তে হয় সেই ইমামেরও কিছু শর্ত থাকে। আর এমন কিছু ইমাম আছে যাদের পিছনে নামাজ পড়লে আপনার নামাজ কবুল নাও হতে। এই কারণে এই পোষ্টের মধ্যে কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়।

কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না

গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে আপনার নামাজ কবুল হবে কিনা বা আপনারা নামাজ হবে কিনা এটা একমাত্র আল্লাহ তা’আলা জানেন। এখানে কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না এটা জানার পরে যে সেই ইমামের পিছনে নামাজ একদমই হবে না সেটা আল্লাহ তায়ালা ভালো জানেন।

কিন্তু হ্যাঁ বিভিন্ন হাদিস থেকে ইমাম হওয়ার বেশ কিছু শর্ত পাওয়া যায় যেগুলোর ভিত্তিতে আমরা বলতে পারি যে কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না । আর ওই হাদিসের ভিত্তিতেই আমরা আজকের পোস্টের পয়েন্ট গুলো সাজিয়েছি।

অপ্রাপ্তবয়স্কের পিছনে

অনেক সময় দেখা যায় মসজিদে ঢুকলে বিভিন্ন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেদেরকে ইমামতিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বিভিন্ন হাদিস এবং বড় বড় মুহাদ্দিসগণ এর মতে এই অপ্রাপ্তবয়স্ক কোন ইমামের পিছনে নামাজ পড়া জায়েজ নয়।

অপ্রাপ্তবয়স্ক মনে হচ্ছে যাদের বয়স ১৮ এর নিচে। হাদিসে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে যে কোন নাবালেগ বা অপ্রাপ্ত বয়স্কের পিছনে নামাজ আদায় করা যাবে না।

এছাড়াও হাদিসে এটা উল্লেখ আছে যে যদি কেউ ইমাম হতে চায় তাহলে তার প্রথম শর্ত হচ্ছে তাকে প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। এই কথা থেকে আমরা বুঝতে পারি যে অপ্রাপ্তবয়স্ক ইমামের পিছনে নামাজ আদায় করা যাবে না।

কিন্তু বিভিন্ন ওলামায়ে কেরামগণ বলেন যে তাদের পিছনে তারাবির নামাজ আদায় করা যাবে শুধুমাত্র ফরজ নামাজ আদায় করা যাবে না। কিন্তু এটা সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ সঠিক নয় কারণ ইমাম যিনি তিনি ইমামই যে কোন নামাজ আদায় করা যাবে না তার পিছনে।

শিয়া ইমামের পিছনে

বিভিন্ন গ্রাম আছে যেখানে শিয়া মুসলমান এবং সুন্নী মুসলমানদের একসাথে বসবাস করতে দেখা যায়। কিন্তু এই শিয়া মুসলমানদের যদি কোন ইমাম বানানো হয় তাহলে তার পিছনে নামাজ আদায় করা ঠিক হবে না।

See also  ইয়া বাসিতু পড়লে কি হয় এর অর্থ ও ইয়া বাসিতু নামের ফজিলত

কারণ শিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর সুন্নতকে স্বীকার করে না। এছাড়াও তারা মনে করে যে আল্লাহ তায়ালা হযরত আলী রাযিআল্লাহুতালা আনহুকে ওহী পাঠানোর কথা ছিল কিন্তু জিব্রাইল আলাই সালাম ভুলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর কাছে ওহী নিয়ে এসেছেন (নায়ুজুবিল্লা) সেটা একদমই ভ্রান্ত ধারণা।

এই কারণে কখনোই শিয়াদেরই মসজিদে নামাজ পড়া যাবে না আবার যদি কোন শিয়া ইমাম হয় তার পিছনেও নামাজ হবেনা।

ইমাম যদি ধূমপায়ী হয়

কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না এর কারণগুলো বলতে ধরলে প্রথমেই আমাদেরকে এই ধূমপাই ইমামদের কথা বলতে হবে।

পবিত্র আল কুরআন এবং মহানবী সাঃ এর হাদিস থেকে সহিহ ভাবে এটা পাওয়া যায় যে নে*শা জাতীয় দ্রব্য কেউ যদি পান করে তাহলে তার নামাজ কখনোই সঠিক হবে না।

আর আপনারা যদি এমন কোন ব্যক্তিকে ইমাম রাখেন যার নিজের নামাজই সঠিক হয় না তাহলে তার পিছনে আপনাদেরও নামাজ হবে না । এই কারণে যদি কোন ইমাম ধুমপাই হয়ে থাকে তাহলে তাকে অবশ্যই কোন ইমামতির দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

এছাড়াও আপনাদের মসজিদের ইমাম যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকে তাহলে তাকে এখনই বিতারিত করতে হবে এবং অন্য ভালো ইমাম নিয়োগ দিতে হবে।

জা*রজ সন্তান হলে

জা’ র জ সন্তান কে সেটা আমরা সকলেই জানি। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর হাদিস থেকে এটা প্রমাণ পাওয়া যায় যে যদি কোন জারজ সন্তান ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তাহলে তার ইমাম হওয়া যাবে না।

অর্থাৎ আমরা যদি কোন জা”রজ সন্তান এর পিছনে নামাজ আদায় করতে থাকে তাহলে আমাদের নামাজ হবে না। এই কারণে অবশ্যই কোন ইমাম নিয়োগ দেওয়ার আগে তার ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে।

কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না এটা ভালো মতো বুঝতে হবে এবং সেই শর্ত গুলো একটা ইমামের সাথে আলোচনা করে তারপর তাকে ইমাম নিয়োগ দিতে হবে।

পর্দা অমান্য করলে

ইসলাম এর যত নির্দেশ আছে তার মধ্যে এই পর্দা করা বিধান অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান। আর এই পর্দাকে আল্লাহতালার পক্ষ থেকে ফরজ ঘোষণা করা হয়েছে।

অর্থাৎ আপনি যেকোনো কোন অবস্থাতেই থাকেন না কেন আপনাকে পর্দা অবশ্যই করতে হবে। যদিও প্রথমে এই পর্দাকে পুরুষের জন্য ফরজ করা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে নারীদের জন্য পর্দা কে ফরজ করে দেওয়া হয়।।

আর হ্যাঁ এখানে পুরুষদের পর্দা হিসেবে তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ কোন পুরুষ যদি কোন মহিলার দিকে ইচ্ছাকৃত ভাবে তাকায় তাহলে তার পর্দা ভেঙ্গে যাবে।

এই কারণে এমন ইমাম যদি রাখেন যে ব্যক্তি মহিলাদের দিকে তাকায় অর্থাৎ তারা নিজের পর্দা অমান্য করে চলে তাহলে তার পিছনে আপনার নামাজ নাও হতে পারে।

আবার দেখা যায় অনেক মাওলানা বা মুফতি সাহেবের স্ত্রীগণ ঠিকমতো পর্দা করে না। এই সকল ব্যক্তি কেও মসজিদের ইমামের দায়িত্ব দেওয়া ঠিক নয়। কারণ যিনি নিজের ঘরই ঠিক করতে পারে না তিনি আবার সবাইকে কিভাবে ঠিক করবেন।

See also  ইয়া কাবিয়ু ইয়া মাতিনু অর্থ কি - ইয়া মাতিনু ইয়া কাবিয়ু এর ফজিলত

সমকামীতায় লিপ্ত ব্যক্তি

বর্তমানে বিশ্বের বড় একটি ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সমকামিতা। ইদানিং দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশেও এর প্রভাব বিস্তার হচ্ছে।

কিন্তু পবিত্র কুরআন এবং হাদিসে এই সমকামিতার বিরুদ্ধে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে এটা একদম হারাম কাজ। যদি কেউ এই কাজ জেনেশুনে করে তাহলে সে অবশ্যই ফাসেক হয়ে যাবে।

এছাড়াও হাদিস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে সমকামীদের নিশ্চিত স্থান হচ্ছে জাহান্নাম। আর যদি কোন সমকামী ব্যক্তিকে ইমাম রাখা হয় তাহলে তার পিছনে নামাজ আদায় করা ঠিক হবে না।

যদিও বিভিন্ন ওলামায়ে কেরামগণ তাদের পিছনে নামায আদায় করা মাকরূহ বলেছেন কিন্তু এরকম ব্যক্তির পিছনে নামাজ আদায় না করায় ভালো।

তবে হ্যাঁ যদি কোন সমকামী ব্যক্তি মন থেকে তওবা করে আল্লাহর পথে ফিরে আসে তাহলে তাকে পরবর্তীতে ঈমান বাড়ানো যেতে পারে।

অন্ধ বা রাতকানা

যদি কোন ব্যক্তি অন্ধ হয় তাহলে কিন্তু সে তার নিজের পবিত্রতার উপর সঠিকভাবে খেয়াল করতে পারবে না।

আর যদি কোন ব্যক্তি পবিত্রতা অর্জন না করে নামাজ আদায় করে তাহলে কিন্তু তার নামাজ কখনই হবে না। আর এরকম ব্যক্তির পিছনে নামাজ আদায় করলে মুসল্লিদের নামাজ ভঙ্গ হয়ে যাওয়ার ও সম্ভাবনা থাকে।

যেহেতু একজন অন্য ব্যক্তি ঠিকমতো এটা নিশ্চিত করতে পারবে না যে তার শরীরে কোথাও নাপাল লেগে আছে কিনা । আবার এটা নিশ্চিত করতে পারবে না যে সে সম্পূর্ণ পাক অবস্থায় আছে কিনা তাই এরকম অন্ধ ব্যক্তি কে ইমামতি এর দায়িত্ব না দেওয়াই ভালো।

বিদআতী ইমাম

যদি আপনার এলাকায় যোগ্য ব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও কোন বিদআতী ব্যক্তিকে ঈমাম নিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয় তাহলে তার পিছনে নামাজ আদায় করা ঠিক হবে না।

বর্তমানে সমাজে অনেক লোক আছে যারা বিদয়াত কাজ গুলো বেশি বেশি করে থাকে। অর্থাৎ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এমন কাজের আদেশ দেননি যেগুলো তারা করে থেকে।

এমন ব্যক্তির পিছনে যদিও নামাজ আদায় করা ঠিক নয়। তবে হ্যাঁ যদি আপনার এলাকায় কোন যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি না থাকে এবং তার পিছনে নামাজ পড়তে বাধ্য হতে হয় । তাহলে আপনারা তার পিছনে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

যদি সুযোগ থাকে যে একজন বিদয়াতি ইমামকে বাদ দিয়ে ভালো ইমাম নিযুক্ত করা যাবে তাহলে অবশ্যই এই কাজটি করতে হবে।

শব্দের সঠিক উচ্চারণ না পারলে

এমন অনেক মানুষ আছে যারা আরবি উচ্চারণ সঠিকভাবে করতে পারেনা। অর্থাৎ যখন তারা বিভিন্ন কেরাত পড়ে তখন সেই কেরাতের মধ্যে অনেক ভুল হয়ে থাকে।

যদি কেরাত শুদ্ধ না হয় তাহলে কিন্তু তার নামাজ ও শুদ্ধ হবে না। যেহেতু নামাজ এর মধ্যে যিনি ইমাম হবে তাকে বড় করে কেরাত পড়তে হবে, তাই যদি সে ঠিকভাবে উচ্চারণ করতে না পারে তাহলে কেরাত ও শুদ্ধভাবে পড়তে পারবে না।

See also  জমজ বাচ্চা হওয়ার আমল শিখে নিন (১০০% কার্যকারী)

নামাজ শুদ্ধ হওয়ার অনেক বড় একটি শর্ত হচ্ছে সঠিকভাবে উচ্চারণ করে তেলাওয়াত করতে হবে সূরাগুলো।

ইমামের নামাজ শুদ্ধ না হলে মুসল্লিদের নামাজ ও শুদ্ধ হবে না এটা ঠিক। তাই আপনারা এই ধরনের যারা আরবি উচ্চারণ ঠিকভাবে করতে পারেনা তাদেরকে ইমাম রাখা থেকে বিরত থাকবেন।

পাগল হলে

যদিও কেউই কোন পাগলকে ইমাম রাখবে না। কিন্তু এরপরেও যেহেতু আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করতেছি যে কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না তাই এটাও আপনাদেরকে বলতে হবে।

এমন কোন ব্যক্তি যদি মাতাল হয় বা পাগল হয়ে যায় তাহলে কিন্তু তাকে কখনই ইমাম রাখবেন না। ইমাম মানে হচ্ছে নেতা আর কোন সুস্থ মানুষের নেতা কোন পাগল মানুষ হতে পারে না।

খুব বেশি অসুস্থ হলে

ব্যক্তির এমন অবস্থা হয়ে গেছে যে তিনি ঠিক ভাবে দাঁড়াতে পারছে না। যদিও ঠিকভাবে না দাঁড়াতে পারলেও তার ওপর নামাজ ফরজ কিন্তু তাকে ইমামতি করানো যাবে না।

কারণ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইমাম হওয়ার শর্ত গুলোর মধ্যে এই অসুস্থ ব্যক্তিকে ইমাম হতে নিষেধ করেছেন।

এই কারণে আপনাদের এলাকার ইমাম যদি খুব বেশি অসুস্থ হয়ে যায় তাহলে তাকে নামাজ পড়ানো থেকে বিরত রাখবেন এবং কোন সুস্থ ব্যক্তি ইমামের দায়িত্ব পালন করবেন।

আক্কেল বা বুদ্ধিহীন হলে

সম্পূর্ণ পাগল নয় কিন্তু তার মধ্যে আক্কেল কিংবা বুদ্ধি একটু কম আছে । যদি কোন ব্যক্তি এমন হয় এবং সে ব্যক্তি ইমাম হতে চায় তাহলে তাকে কিন্তু ইমাম এর দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

কারণ হাদিসে সঠিকভাবে ইমাম হওয়ার শর্ত গুলোর মধ্যে এই আক্কেল বা বুদ্ধিহীন শব্দটি উল্লেখ আছে। এই কারণে আপনারা কখনোই কোন বুদ্ধিহীন ব্যক্তিকে ইমাম করবেন না বা তার পিছনে নামাজ পড়ে না।

শেষ কথা

আজকের এই পোস্টে আমরা কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না এই সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আলোচনা করেছি।

এখানে আমরা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ যে পয়েন্ট আছে সেগুলোই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। মনে রাখবেন ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ।

এই কারণে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করতে হলে কখনোই নামাজ ছেড়ে দেওয়া যাবে না। আর হ্যাঁ নামাজ ছেড়ে না দেওয়ার পাশাপাশি আপনার নামাজ শুদ্ধ হচ্ছে কিনা সে বিষয়েও যথেষ্ট খেয়াল রাখতে হবে।

এই কারণে আপনি কোন ইমামের পিছনে নামাজ আদায় করছেন এবং কোন ইমামের পিছনে নামাজ হবে না সেগুলো সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখতে হবে। তো উদাহরণ ডট কম এর এই পোস্ট সম্পর্কে যদি কোন মতামত থাকে তাহলে সেটা কমেন্ট করে জানাবেন।

আর হ্যাঁ বন্ধুরা যদি আপনার মনে কোন প্রশ্ন এসে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফেসবুক পেজে নক দিয়ে সেটা জিজ্ঞেস করবেন।

ভালো লাগতে পারে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button