ঈমান কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি বিস্তারিত

আসসালামু আলাইকুম আপনারা কি ঈমান কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি বা ঈমান অর্থ কি এই সকল বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান ? যদি এমনটা হয়ে থাকে তাহলে আজকের পোস্ট সর্বশেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ করছি।

পবিত্র কুরআনে এবং হাদিসে অসংখ্য জায়গায় পাওয়া যায় যে একজন মানুষ যদি প্রকৃত ঈমানদার না হয় তাহলে সে কখনোই প্রকৃত মুসলিম হতে পারবে না বা প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না। এজন্য প্রত্যেক মানুষের অবশ্যই ঈমান থাকা উচিত।

তবে হ্যাঁ এই ঈমানের কিছু প্রকার আছে এবং ঈমানের অর্থ আছে এই কারণে আজকের পোস্টে আমরা ঈমান কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি এগুলো সম্পর্কে পাঠকদের কে সহজ ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

ঈমান অর্থ কি

প্রতিটা শব্দেরই একটা শাব্দিক অর্থ আছে। ঠিক এভাবে ঈমান শব্দের ও একটা শাব্দিক অর্থ আছে। তো যারা ঈমান অর্থ কি সেটা জানতে আগ্রহী তারা এখন আমাদের এই লেখাগুলো পড়তে থাকুন।

মুসলমানদের জন্য যেহেতু ঈমান সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি তাই ঈমান অর্থ কি সেটাও জানা প্রত্যেকের জন্য জরুরী।

তো এই ঈমান অর্থ সাধারণত বলা হয় বিশ্বাস করা । তবে কিছু মতভেদে দেখা যায় বিভিন্ন ওলামায়ে কেরামগণ ঈমান অর্থ বলে থাকে স্বীকার করা বা কোন কিছু স্বীকৃতি দেওয়া।

এখানে আমরা পাচ্ছি ঈমান অর্থ বিশ্বাস করা এবং ঈমান অর্থ স্বীকৃতি দেওয়া বা স্বীকার করা।  অর্থাৎ কোন বিষয় নিয়ে অস্বীকার না করাকে ঈমান বলা হয় বা কোন কিছু মনে প্রাণে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করাকে ইমান বলা হয়।

তো লেখাগুলো পড়ার পর আশা করি আপনারা ঈমান অর্থ কি সে সম্পর্কে আর কোন প্রশ্ন নেই সবকিছু বুঝতে পেরেছেন।

ঈমান কাকে বলে

যদিও উপরে আপনারা ঈমান কাকে বলে সে সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেয়েছেন কিন্তু এখানে আমি আরো পরিষ্কারভাবে আপনাদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছি।

যদিওঈমান শব্দের অর্থ বিশ্বাস করা কিংবা স্বীকার করা। কিন্তু এখানে অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে কি বিশ্বাস করতে হবে বাকি স্বীকার করতে হবে।

এই কি বিশ্বাস করতে হবে বা কি স্বীকার করতে হবে সেটা বুঝতে পারলেই ঈমান কাকে বলে সেটা বোঝা যাবে।

ইসলামের মধ্যে যে সমস্ত বিষয় আছে নামাজ রোজা হজ যাকাত কিংবা মৃত্যুর পর যে সমস্ত বিষয় ঘটবে সেগুলো বিভিন্ন জায়গায় থেকে পাওয়া যায়।

তো এখন এই বিষয়গুলো অনেক নাস্তিক আছে যারা কোনভাবে বিশ্বাস করে না, তারা ভাবে যে এগুলো শুধুমাত্র গল্প। কিন্তু এগুলো যে কোন ধরনের গল্প নয়, সমস্ত ঘটনা সত্যি এর হাজার হাজার প্রমাণ মিলে যায়।

আল্লাহ তাআলা এক ও অদ্বিতীয় তার কোন শরীক নেই এছাড়া কুরআন মাজীদ এবং হাদিসে।যে সমস্ত কথা উল্লেখ আছে এগুলোকেই মনে প্রাণে বিশ্বাস করাকে সাধারণত ঈমান বলা হয়।

See also  আওয়াবিন নামাজের নিয়ম ও নিয়ত ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত

আর এই ঈমানের মোট 70 এর ও অধিক শাখা রয়েছে। এই শাখাগুলোর প্রত্যেক শাখা আমাদেরকে মানতে হবে তাহলে আমরা একজন প্রকৃত ঈমানদার হতে পারব।

ঈমান এর ৭০ এর অধিক শাখার মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরের শাখা হচ্ছে রাস্তা থেকে কোন কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা।

তো বন্ধুরা যারা ওপরের এই পয়েন্ট এর লেখা গুলো পড়েছেন তারা আশা করি অবশ্যই ঈমান কাকে বলে সেটা সম্পর্কে একদম পরিষ্কার ভাবে ধারনা পেয়েছেন।  এখন নিচে আমরা এই ঈমান কত প্রকার ও কি কি সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

 ঈমান কত প্রকার ও কি কি

একজন মানুষের মধ্যে ঈমান টিকে রাখতে হলে তাকে এই ঈমান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে। যদি পরিষ্কার ধরনা না থাকে তাহলে কখনোই আপনার মধ্যে ঈমান থাকবে না।

উপরে লেখা গুলো পড়ে আপনারা জেনে এসেছেন যে ঈমানের ৭০ এর অধিক শাখা রয়েছে। কিন্তু এই ঈমানের শাখা থাকার পাশাপাশি যে ঈমানের কিছু প্রকার বা কিছু দিক রয়েছে সেটা আমাদের কে জানতে হবে।

ঈমানের প্রকার মোট তিনটি , এগুলোকে ঈমানের দিকও বলা হয়। যথা:

✓ মনে প্রানে এগুলো বিশ্বাস করা

✓ বিশ্বাস করা বিষয়গুলো মুখের স্বীকার করা

✓ বিশ্বাস করা বিষয়গুলো অনুযায়ী আমল করা

বিস্তারিত আলোচনা করা হলো নিচে

✓ মনেপ্রাণে বিশ্বাস: উপরে আপনারা ঈমান কাকে বলে সেখানে পড়ে এসেছেন যে ঈমান শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো বিশ্বাস করা।

কিন্তু এই বিশ্বাসগুলোকে শুধুমাত্র বিশ্বাস করলেই হবে না এখানে ঈমানের প্রকার অনুযায়ী সেগুলোকে পালনও করতে হবে। প্রথমে আমাদেরকে সেই শাখা গুলোকে মনেপ্রাণে দুইজন বিচার করতে হবে।

এখানে যদি আপনারা ঈমানের শাখা গুলো কে বিশ্বাস না করেন মনেপ্রাণে , বা সেগুলোর মধ্যে কোন সন্দেহ থাকে তাহলে কিন্তু আপনার ঈমান ভঙ্গ হয়ে যাবে। এই কারণে ঈমানের প্রথম দিক বা প্রকার রাখা হয়েছে শাখা গুলোকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করা।

✓ মুখে স্বীকার করা: অনেকে আছে বিভিন্ন বিষয়বস্তু মনেপ্রাণে বিশ্বাস করলে মুখে স্বীকার করতে চায় না। অর্থাৎ ভিতরে একরকম আমার বাহিরে অন্য কিছু বলে বেড়ায়।

যদিও মনের খবর আল্লাহতাআলা জানে যদি আপনি মনে প্রাণে একটা বিশ্বাস করেন কিন্তু মুখে আবার অন্য কথা বলেন তাহলে কিন্তু সেটাও ঈমান ভঙ্গ হয়ে যাবে।

এই কারণে ঈমানের শাখা গুলো সম্পর্কে ভালোমতো বুঝতে হবে এবং মুখেও সেগুলোকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে এবং স্বীকার করতে হবে। কিন্তু যদি আবার শুধুমাত্র মুখে স্বীকার করেন কিন্তু মনে প্রাণে বিশ্বাস না করেন তাহলে হবে না। কারণ আল্লাহ তা’আলা আলিমুল গয়িব বা মনের খবর জানেন।

✓ অমল করা: ইদানিং অনেক ভন্ড পীর বা মৌলবি দেখা যায় যারা সব কিছু বিশ্বাস করে সবকিছুই মানে কিন্তু কোন ধরনের আমল করে না।

See also  এশার নামাজ ১৭ রাকাত কি কি বিস্তারিত জেনে নিন

আবার অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন মানুষজন কোন নামাজ রোজা করে না কিন্তু সেগুলো সম্পর্কে মানুষকে নসিহত করে বাড়ায়।

যদি আপনি এই কাজ করেন যে ঈমানের সবকিছু বিশ্বাস করলেন বা মানুষকে বলে বেড়ালেন। কিন্তু নিজেই কোন ধরনের আমল করলেন না তাহলে আপনার মধ্যে কোন ঈমান থাকবে না।

এই কারণে ঈমানকে টিকিয়ে রাখতে হলে ঈমানের যে সমস্ত দিক রয়েছে বা ঈমানের প্রকার গুলোকে যথাযথভাবে পালন করতেই হবে। যদি আমাদের মত ঈমান না থাকে তাহলে কিন্তু আমরা মৃত্যুবরণ করলে ভয়াবহ শাস্তির সম্মুখীন হওয়া ।

উপরের লেখা গুলো পড়ে আপনারা আশা করি ঈমান কাকে বলে কত প্রকার ও কি সেগুলো সম্পর্কে একদম পরিষ্কারভাবে সুস্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় আমরা এগুলো জানলেও পালন করি না।

তাদের উদ্দেশ্যে বলি যদি আপনি ঈমানের শাখা গুলো বা ইসলামের বিষয়গুলো কে জানেন বা বিশ্বাসও করেন কিন্তু পালন করেন না তাহলে কিন্তু আপনার মধ্যে ঈমান থাকবে না।

এই কারণে যদি আপনার মধ্যে ঈমান টিকিয়ে রাখতে চান বা আল্লাহ তাআলার কাছে প্রিয় হতে চান তাহলে অবশ্যই ঈমান টিকে রাখতে হবে এবং ঈমানের প্রত্যেকটা বিষয় অন্তরে বিশ্বাস করতে হবে মুখে স্বীকার করতে হবে এবং সেগুলো অনুযায়ী আমল করতে হবে।

ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ শাখা

উপরে আমরা ঈমান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ টপিক আলোচনা করেছি ঈমান কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি, সেগুলো যদি না বোঝেন তাহলে আমাদেরকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবেন।

ওপরে আলোচনা করার সময় অনেকবার আমরা ঈমানের শাখা সম্পর্কে একটি কথা বলেছি। কিন্তু এই ঈমানের শাখা গুলো কি কি বা ঈমানের শাখা গুলো কেমন সে সম্পর্কে এখন আমরা ধারণা নেব।

যদিও ঈমানের শাখা ৭০ অধিকার রয়েছে কিন্তু আমরা এখানে গুরুত্বপূর্ণ সাতটি শাখা সম্পর্কে বিস্তারিত জানব। এই ৭ টি শাখাই মূলত ঈমানের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ শাখা।

✓ সূরা ইখলাসে আল্লাহ তা’আলা যে সমস্ত বিষয়গুলো তার সম্পর্কে বলেছে সেগুলো মনে প্রাণে বিশ্বাস করা। অর্থাৎ এই আল্লাহ তায়ালা যে এক তার কোন শরীক নাই বা তিনি পুরো সৃষ্টি জগতের মালিক বা সৃষ্টিকর্তা সেগুলো বিশ্বাস করতে হবে।

✓ কোরআন এবং হাদিস থেকে মৃত্যুর পরের জীবনী সম্পর্কে অসংখ্য বর্ণনা পাওয়া যায়। এখানে বলা হয়েছে আমরা মৃত্যুর পর আবার জীবিত হবো এবং দুনিয়ায় যা যা করেছি সেগুলোর হিসাব-নিকাশ হবে সেখানে।

তো অনেকে নাস্তিক আছে যারা এগুলোকে আজগুবি গল্প মনে করে। তবে ঈমানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ শাখা হচ্ছে এই মৃত্যুর পরের জীবনী গুলোকে বিশ্বাস করা। যদি আপনারা এই আখিরাত বা পুনরুত্থান সম্পর্কে বিশ্বাস না করেন তাহলে আপনাদের মধ্যে কোন ঈমান থাকবে না।

✓ আল্লাহতায়ালা যে এই পুরো সৃষ্টি জগতকে নিয়ন্ত্রণ করে তা তিনি তার বানানোর ফেরেশতা গুলোর মাধ্যমে করে থাকে।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলো বিষয় গুলো ফেরেশতা দ্বারা লেখা হয় । এত অসংখ্য ফেরেশতা আছে সৃষ্টি জগতকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। আমাদেরকে এই ফেরেশতা গুলোর প্রতি মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে।

See also  নূরানী পদ্ধতিতে নামাজের ওয়াজিব কয়টি ও কি কি বিস্তারিত

✓ আল্লাহ তাআলা যে আমাদের জন্ম এবং মৃত্যু নির্ধারণ করেছে বা আমরা পৃথিবীতে কখন কি করব সবকিছুই আগে থেকে তিনি লিখে রেখেছেন এগুলোকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের ভাগ্যকে নির্ধারণ করে দিয়েছেন আগেই। আমরা পৃথিবীতে এসে কতটুকু খাদ্য খাব বা কিভাবে চলাফেরা করবো সব কিছুই তিনি আগেই নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

তো এই বিষয়গুলো সম্পর্কে বিশ্বাস করা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ শাখা অর্থাৎ তাকদির নিয়ে আমাদেরকে সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস করতে হবে।

✓ পৃথিবীর মানুষকে সঠিক পথ প্রদর্শনের লক্ষ্যে এবং আল্লাহ তায়ালা সম্পর্কে অবগত করার জন্য তিনি যুগে যুগে শত শত নবী এবং রাসূল পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।

এই নবী এবং রাসূলগণের প্রতি আমাদেরকে বিশ্বাস করতে হবে অর্থাৎ তারা যে পৃথিবীতে এসেছিল এবং মানুষের সঠিক পথের বাহক হিসেবে কাজ করে গেছেন এগুলো সম্পর্কে অবশ্যই দৃঢ়ভাবে বিচার করতে হবে।

যদি আমরা নবী রাসূলগণের প্রতি সঠিকভাবে বিশ্বাস করতে না পারি তাহলেও আমাদের ঈমান থাকবে না।

✓ যুগে যুগে মানুষকে সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য বিভিন্ন রাসূলগণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা কিতাব পাঠিয়েছিলেন।

বিভিন্ন বর্ণনা থেকে পাওয়া যায় আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে মোট ১০৪ খানা কিতাব দিয়েছিলেন। কিন্তু এর মধ্যে মোট চারখানা কে আসমানী কিতাব বা বড় কিতাব বলা হয়।

সেগুলো হল তাওরাত যাবুর ইঞ্জিল ও কোরআন । আর এই আসমানি কিতাবগুলোর প্রতি আমাদেরকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে।

অর্থাৎ এগুলো যে মহান আল্লাহতালার পক্ষ থেকে এসেছে বা এর মধ্যে যা কিছু বলা হয়েছে সব কিছু সত্য তা মনে প্রাণে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করা ও ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা।

✓ মানুষ মৃত্যুবরণ করার পর আবার আল্লাহ তাআলা তাকে জীবিত করবে এ বিষয়টিকে বলা হয় পুনরুত্থান। ওপরে আমরা বলেছি আখিরাত সম্পর্কে বিশ্বাস করা ঈমানের একটি অঙ্গ।

কিন্তু আল্লাহতায়ালা যে মানুষকে আবার জীবিত করবে এবং সবকিছুর হিসাব করে তারপর জান্নাত জাহান্নাম দেওয়া হবে সম্পর্কে বিশ্বাস করা ঈমানের আরো একটি অন্যতম শাখা।

অর্থাৎ পুনরুত্থানের প্রতি আমাদেরকে অবশ্যই ভালোভাবেই বিশ্বাস রাখতে হবে।

পরিশেষে

আজকের পোস্টে আমরা ঈমান সম্পর্কিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু টপিক নিয়ে আলোচনা করেছি। এখানে আমরা ঈমান কত প্রকার  বা ঈমান কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি সেগুলো আপনাদেরকে পরিষ্কার ভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

ঈমান সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস এই পৃথিবীর মধ্যে। এই কারণে প্রত্যেক মুসলমানকে এগুলো সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে ধারণা দেওয়ার জন্য সাধারণত আজকের পোস্ট লেখা হয়েছে।

আমরা যথা সম্ভব চেষ্টা করেছি সহজ ভাষায় পাঠকদের কে ঈমান সম্পর্কিত বিষয়গুলো বুঝিয়ে দেওয়ার। এরপরেও যদি কেউ না বুঝে থাকেন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

ভালো লাগতে পারে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button