" " " "

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা – সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্য নমুনা

আসসালামু আলাইকুম উদাহরণ ডটকম এর আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্য নমুনা শেয়ার করার পাশাপাশি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা কিভাবে দিতে হয় সেটা সুন্দরভাবে শিখিয়ে দেওয়া হবে।

বক্তৃতা দেওয়া অনেক বড় সাহসিকতার একটি কাজ। সবাই এই কাজ সঠিকভাবে পারেনা। আর যারা বক্তৃতা দিতে পারে তারা যে কোন জায়গায় যে কোন কারনে সুন্দরভাবে বক্তৃতা উপস্থাপন করতে পারে।

অনেক সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার দরুন বিভিন্ন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা দিতে হয়। যদিও আপনি কিভাবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা দিবেন সেটা আপনার নিজের ব্যাপার । কিন্তু যদি একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্য নমুনা দেখে নেওয়া যায় তাহলে সেটা আরো সহজ হয়ে যায়।

এই কারণে যদি আপনি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্য নমুনা খুঁজে থাকেন তাহলে আজকের দেওয়া এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা টি ভালো করে পড়ে যেতে পারেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা কিভাবে দিতে হয়

যদি আপনি বক্তৃতা দেওয়াতে খুব ভালো এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তাহলে আগে থেকে কোনো পূর্ববস্তুতি ছাড়াই যে কোন বক্তৃতা প্রদান করতে পারবেন। কিন্তু যদি এই কাজে আপনি ভালো অভিজ্ঞ না হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে।

আপনি কিভাবে বক্তব্য দিবেন এটা সম্পূর্ণ আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আপনি চাইলে সুন্দরভাবে নিজের মতো করে বানিয়ে বক্তব্য দিতে পারেন। কিন্তু এরপরও যদি আপনি বুঝতে না পারেন যে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা কিভাবে দিবেন। তাহলে নিচে কিছু বিষয়বস্তু উল্লেখ করা হলে সেগুলো দেখতে পারেন।

✓ সর্বপ্রথম উপস্থিত ব্যক্তিদের মঙ্গল কামনা করে তাদেরকে সালাম প্রদান করতে হবে। এখানে যারা উপস্থিত আছে তাদেরকে আলাদা করে সংবর্ধনা দিতে পারেন।

✓ এরপর যাকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে তার কর্মজীবন সম্পর্কে আলোচনা করুন। অবশ্যই তার কর্মজীবনের ভালো কাজগুলো সম্পর্কে বেশি করে ফুটিয়ে তুলতে হবে।

✓ যে প্রতিষ্ঠানে আপনারা কাজ করতেছেন সেই প্রতিষ্ঠানে ওই ব্যক্তি কি কি কাজ করে থাকে বাকি কি ভূমিকা পালন করেছে সেগুলো সুন্দরভাবে উল্লেখ করুন।

✓ ওই ব্যক্তি সেই প্রতিষ্ঠানের জন্য কোন পদে কাজ করে এবং কি ধরনের অর্থ বহন করে থাকে সেটা ভালোভাবে তুলে ধরুন।

✓ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাকে এটা জানান যে আপনি পরবর্তীতে সেই প্রতিষ্ঠানে তার থেকে কি কি আশা করতেছেন। অর্থাৎ আপনি কিভাবে যাচ্ছেন যে সে কাজ করুক সেটা।

✓ তাকে ভালো কিছু উপদেশ দিন এবং তার ভালো দিকগুলো সেখানে বলে দিন।

✓ সর্বশেষে ওই ব্যক্তিকে আজকের এই সংবর্ধনা পাওয়ার জন্য অভিনন্দন এবং তাকে সহ সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে আপনার বক্তব্য শেষ করতে হবে।

মাঝখানে আপনি চাইলে নিজের মত কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করে সুন্দরভাবে যুক্ত করতে পারেন। এখানে আমরা শুধুমাত্র একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার নিয়ম বুঝিয়ে দিয়েছে।

এখানে সংক্ষেপে যে সকল পয়েন্ট উল্লেখ করা হয়েছে এগুলো যদি আপনি সুন্দরভাবে বলতে পারেন তাহলে আপনার বক্তব্য অনেক সুন্দর হবে।

তবে হ্যাঁ এগুলো পড়ে যদি কিছু না বুঝতে পারেন তাহলে নিচের পয়েন্টে আমরা সুন্দরভাবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্য নমুনা বুঝিয়ে দেব যেটা ব্যবহার করে আপনারা ভালোভাবেই বক্তব্যটি প্রদান করতে পারবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্য নমুনা

উপরে আপনাদেরকে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা কিভাবে দেয়া যায় সেটা শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সেটা শিখিয়ে অনেকেই নিজের মত করে বক্তব্য দিতে পারবে না।

এই কারণে এখন আমরা সুন্দরভাবে একটি সহজ ভাষায় আকর্ষণীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্য নমুনা আপনাদের কে দিয়ে দেবো যেটা ব্যবহার করে আপনারা সব সময় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা দিতে পারবেন।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, উপস্থিত আছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার এবং আরো উপস্থিত আছেন প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মী ও কর্মচারীবৃন্দ। আরো যারা আমার সামনে ছোট এবং বড় ভাই ও বোন আছেন তাদেরকে জানাই আমার মন থেকে সালাম আসসালামু আলাইকুম।

আর অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ভাই ও বোনদের কে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজ আমরা আব্দুর রহমান ভাইকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছি। এই প্রতিষ্ঠানের বিশেষ একটি গুণ হচ্ছে যারা ভাল ভাবে কাজ করে থাকে তাদেরকে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

আর আমি আপনাদের সামনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা দেওয়ার জন্য উপস্থিত হয়েছি। যাকে আজ সংবর্ধনা দেওয়া হবে তাকে নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই কারণ তিনি সব সময় সৎ ও ভালোভাবে কাজ করেছেন জন্যই আজকে তাকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।

আব্দুর রহমান ভাই একজন অনেক ভালো মনের মানুষ। তিনি দীর্ঘদিন যাবত আমাদের অত্র প্রতিষ্ঠানের কাজ করেছেন। অত্র প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল কর্মচারীদের থেকে তিনি কিছুটা আলাদা।

আব্দুর রহমান ভাইকে যে দেখবে সেই তাকে ভালবাসতে বাধ্য হবে। কারণ তিনি অনেক বিনয়ী একজন মানুষ এবং মানুষদের সাথে অনেক ভালো ব্যবহার করে থাকি। তার সাথে কেউ একটু কথা বললেই তাকে ভালবেসে ফেলবে এটা নিশ্চিত।

তিনি সবসময় সঠিকভাবে কঠোর পরিশ্রম করে এবং খুব তাড়াতাড়ি তিনি সফলতা অর্জন করে। যদিও তিনি আমাদের সিনিয়র একজন কর্মী এরপরও তিনি আমাদের সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করেন না আমরা কোন কাজ না বুঝলে তিনি আমাদেরকে সেটা বুঝিয়ে দেন।

যদিও আব্দুর রহমান ভাইয়ের সাথে সব কর্মচারীর অনেক সুসম্পর্ক রয়েছে এরপরও ব্যক্তিগতভাবে আমি তাকে অনেক ভালোভাবে চিনি। তিনি সবসময় কর্মীদের মেন্টালি এবং ফিজিক্যালি সাপোর্ট দিয়ে থাকেন।

কর্মীদের কোন কিছু হলেই তার কাছে ছুটে যান এবং সাথে সাথে সেটার সমাধান পেয়ে যায়। ২০২০ সালে করোনাভাইরাস যখন আক্রমণ হয়েছিল তখন অফিসের প্রায় কর্মচারী ঠিকমতো কাজ করতে পারেনি। কিন্তু আব্দুর রহমান ভাই কখনোই তার কাজ থেমে রাখেননি তিনি তার কাজগুলো সঠিকভাবে করে গেছেন।

আব্দুর রহমান ভাইকে নিয়ে বললে কখনোই তার গুণগুলো বলে শেষ করা যাবে না। এইটুকু বক্তৃতাতে তাকে কখনোই সঠিকভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়। ধর্মীয় জ্ঞান এবং কাজের দিক থেকেও তিনি সবার উপরে রয়েছেন।

আব্দুর রহমান ভাইয়ের কারণেই এখন আমাদের অফিসের অনেক কর্মী নামাজ রোজা এবং ইসলামের পথে ফিরে এসেছে। অফিসের কাজ করার পাশাপাশি যখন তিনি অবসর সময় পেতেন তখনই ধর্মীয় আলাপ আলোচনা গুলো আমাদের সাথে করতেন।

তার কাছ থেকে কোন সাহায্য চাইলে তিনি কখনোই ধমক দিতেন না বরং অত্যন্ত নম্র ও ভদ্রতার সাথে আমাদেরকে কাজগুলো বুঝিয়ে দিতেন। কিছু সময়ের জন্য এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা দিয়ে তার সম্পর্কে বলে শেষ করা সম্ভব না।

যাই হোক আব্দুর রহমান স্যারের মতো একজন কর্মচারী পেয়ে আমরা সকলে গর্বিত। আর তার এই সংবর্ধনা পাওয়ার জন্যও আমরা সবাই গর্বিত। আমাদের এই প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মচারী বলতে পারবে না যে আব্দুর রহমান ভাই তার সাথে কখনও খারাপ ব্যবহার করেছিল।

আজ আমরা সকলেই উপস্থিত হয়েছি শুধুমাত্র তাকে তার এই সংবর্ধনা পাওয়ার জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাতে। অত্র প্রতিষ্ঠানের সকলের জন্য এক অনুপ্রেরনার নাম আব্দুর রহমান স্যার। উনি সবসময় অন্যের ভালোর কথা চিন্তা করতেন।

এক কথায় তাকে সৎ ও সমাজসেবক বলা যেতে পারে। শুধুমাত্র অন্যের সাহায্য করার জন্য তিনি অনেক সময় অর্থ ও ব্যয় করে থাকে। নিজের থেকে মানুষের কথা বেশি চিন্তা করে এই আমাদের স্যার।

আমি মনে করি প্রত্যেক কর্মচারীদের তাকে আইডল মানা উচিত।

রহমান ভাই আমার অনেক আগে থেকে এই অফিসে কর্মরত আছেন। তিনি আমার অনেক সিনিয়র, তবে দুনিয়ার হয়েও আমরা তার অনেক স্নেহ ও মমতা পেয়েছি। একজন সিনিয়র মানুষের ব্যবহার এত বন্ধুসুলভ সেটা আমি কখনো কল্পনা করতে পারিনি।

আর তিনি সবসময় কর্মের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে থাকেন। তাকে কখনো হাল ছাড়তে দেখিনি। এই কঠোর পরিশ্রমের কারণেই তিনি তার প্রত্যেকটা কাজেই সফলতা পায়।

তার এই কাজগুলো দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ। তাকে আমরা সকলেই অনুসরণ করার চেষ্টা করে থাকি। আব্দুর রহমান ভাইয়ের মত কর্মচারী যদি প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানে থাকে তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের কখনো অবনতি হওয়া সম্ভব না।

তিনি সবসময় চেষ্টা করেন প্রতিষ্ঠানের কিভাবে উন্নত করা যায় এবং কর্মচারীদেরকে আরো বেশি অভিজ্ঞ করে তোলা যায় কিভাবে। সব থেকে বড় কথা তিনি কখনোই তার কাজে ফাঁকি দেন না । অসুস্থ থাকলেও তিনি অফিসের কাজগুলো সঠিকভাবে পালন করেন।

আমরা তার সাথে কাজ করি খুবই খুশি এবং আমরা চাই সব সময় যেন এরকম একজন সিনিয়র এর সাথে প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো করতে পারি।

যাইহোক আব্দুর রহমান ভাইয়ের আজকের এই সংবর্ধনা পাওয়ার জন্য সকলের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। তিনি আজকে যে এই সংবর্ধনা পেয়েছেন এটার কৃতিত্ব সম্পূর্ণ তার নিজের কারণ তিনি তার নিজের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আজ এমন সম্মানে সম্মানিত হয়েছে। তার জ্ঞান অনেক বেশি , তার জ্ঞানের পরিসীমার কাছে আমাদের জ্ঞান তুচ্ছ মাত্র।

এই ছোট্ট সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা দিয়ে আসলে তার ব্যাপারে সব কিছু বলা সম্ভব নয়। এর পরেও আমরা যারা তাকে চিনি কখনোই তাকে ঘৃণা করতে পারবো না।

আমি আশা করছি তিনি ভবিষ্যতে আমাদের কে আরো সাহায্য করবেন এবং কাজের জন্য অনুপ্রেরণা জাগাবেন। অত্র প্রতিষ্ঠানের আমি একজন ছোট কর্মচারী মাত্র। আমার জ্ঞান অনেক কম আজকের এই বক্তব্যের মাঝে যদি আমি কোন ভুল ভ্রান্তি করে থাকি তাহলে আপনারা সবাই আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।

পরিশেষে আমি আব্দুর রহমান ভাইকে আবারো এই সংবর্ধনা পাওয়ার জন্য ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানি আমার এই সংক্ষিপ্ত সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা শেষ করেছি । সবাইকে আবারও আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে সালাম আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ।

শেষ কথা

আমরা সর্বপ্রথমে আপনাদেরকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা কিভাবে দিবেন সেটা সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিয়েছে। সেখানে যে পয়েন্ট গুলো আলোচনা করা হয়েছে সেগুলো যদি আপনি সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলে বক্তব্য দিতে পারেন তাহলে সব থেকে ভালো হবে।

তবে এর পরে আমরা আপনাদের সুবিধার্থে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্য নমুনা শেয়ার করেছি যেটা জানা থাকলে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গিয়ে বক্তব্য দেওয়া আরও অনেক সহজ হয়ে যাবে।

এখানে আমরা নমুনা এর জন্য আব্দুর রহমান নামটি ব্যবহার করেছি তবে আপনার ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাকে সংবর্ধনা জানানো হবে অবশ্যই সেখানে তার নাম উল্লেখ করে পুরো বক্তব্যটি দিতে হবে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে আমি এখানে যেভাবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্য নমুনা দিয়েছি হুবহু যে এভাবে বলতে হবে এমন কোন কথা নয়। এখানে এই নমুনা টি কে আপনি নিজের মত করে সাজিয়ে দিতে পারবেন।

এখান থেকে যেটা আপনার ভালো লাগবে না সেটা বাদ দিবেন এবং যদি নতুন কোন কিছু বলার থাকে সেটা বক্তব্যের মাঝে উল্লেখ করো । মোটকথা আপনাকে নিজের মতো করে সাজিয়ে বক্তব্য দিতে হবে তাহলে সেটা সবচেয়ে ভালো হবে।

যাই হোক আজকের পোস্টে আলোচনা করা বিষয়টি আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন। এরপরও যদি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতা নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের ফেসবুক পেজে নক দিয়ে জিজ্ঞেস করতে পারেন অথবা পোস্টের নিচে কমেন্ট করতে পারেন।

ভালো লাগতে পারে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button